ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে একটি মজার অভিজ্ঞতা
| author: mahmudডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে কাজ করতে গিয়ে কয়েকটি মজার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। একটি প্রজেক্টে আমাকে বলা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দিতে যাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইট গুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি কোড আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে মোট সময় লাগবে ১০ দিন। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার। এই কাজগুলো করার জন্য আমি একজন কম্পিউটার অপারেটেরর সাথে কথা বলছিলাম যে অনেক কম খরচে আমাকে এই কাজগুলো করে দিতে রাজি হয়েছিল।
কিন্তু আরেকটি ক্ষেত্রে সমস্যা রয়ে গিয়েছিল। প্রজেক্টের ডেডলাইন সময় ছিল মাত্র ৭ দিন। তাই আমি দুই জন অপারেটর নিয়োগ দেবার চিন্তা করছিলাম। দুই জন আট ঘন্টা করে কাজ করলে ৫ দিনে কাজটি করা সম্ভব। এই অবস্থায় হঠাৎ একটা বিষয় আমার মাথায় এল, আচ্ছা এটা কি প্রোগ্রামিং করে করা যাবে? আমি আমার টিমের প্রোগ্রামারদের সাথে কথা বলে একটি আইডিয়া বের করলাম। আমরা দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম - একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আর আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে লিংক নিয়ে একটি একটি করে সাইটে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই।
মজার কথা হচ্ছে আমাদের এই পদ্ধতি সফল হয়েছিল। এই পদ্ধতিতে সব কিছু সহ করতে আমাদের দুই দিন সময় লেগেছিল এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে অল্প সময়ে আমারা ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম। প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যক লিংক পেয়ে ক্লায়েন্টও মহা খুশি। অন্যদিকে আমার সময় এবং অর্থ দুটিই সাশ্রয় হল।
৯৯ ডিজাইনস - ফ্রিল্যান্সারদের জন্য প্রতিযোগিতা
| author: mahmudইন্টারনেটে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য যে সকল মার্কেটপ্লেস রয়েছে তাদের মধ্যে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একটি সাইট হচ্ছে www.99designs.com। এই সাইটটি শুধুমাত্র ডিজাইনারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। যে সকল বিষয়ের উপর এই সাইটে কাজ পাওয়া যায় তা হচ্ছে - ওয়েবসাইট ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, বাটন ও আইকন ডিজাইন, টি-শার্ট ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন ইত্যাদি। অন্যান্য সাইট থেকে এই সাইটের পার্থক্য হচ্ছে এখানে প্রত্যেকটি ডিজাইন সম্পন্ন করার জন্য ক্রেতা বা ক্লায়েন্ট একটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় যে কেউ অংশগ্রহণ করতে পারে এবং ক্লায়েন্টের নির্দেশ অনুযায়ী ডিজাইনাররা ডিজাইন তৈরি করে। সবশেষে ক্লায়েন্ট একটি ডিজাইনকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে এবং পুরষ্কার হিসেবে ডিজাইনারকে পূর্ব নির্ধারিত অর্থ প্রদান করে।
এই ওয়েবসাইটে প্রত্যেকটি কাজকে কনটেস্ট (contest) বা প্রতিযোগিতা বলা হয়। ক্লায়েন্টকে এই সাইটে কনটেস্ট হোল্ডার বা আয়োজক এবং অংশগ্রহণকারী ফ্রিল্যান্সারদেরকে ডিজাইনার হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই সাইটে ৩০ হাজারের উপর ডিজাইনার রেজিষ্ট্রেশন করেছে এবং এই মূহুর্তে তিনশতটির উপর প্রতিযোগিতা রয়েছে যেগুলোর সর্বমোট মূল্য হচ্ছে ১ লক্ষ ডলারেরও বেশী। প্রতিযোগিতার পুরষ্কার হিসেবে প্রধানত অর্থ প্রদান করা হয়, তবে আয়োজক ইচ্ছে করলে সাথে অন্য কোন সামগ্রী দিতে পারে।
যেভাবে সাইটটি কাজ করে
১) ডিজাইনের নির্দেশনা তৈরি:
প্রথম ধাপে প্রতিযোগিতার আয়োজক তার চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইনের একটি নির্দেশনা তৈরি করে যাকে বলা হয় ডিজাইন ব্রিফ (Design Brief)। ডিজাইনাররা এই ব্রিফের উপর ভিত্তি করে তাদের ডিজাইন তৈরি করে থাকে। প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করার জন্য এসময় ক্লায়েন্টকে ৩৯ ডলার অর্থ সাইটকে প্রদান করতে হয়। তবে এই সাইট থেকে ফ্রিল্যান্সারদের কাছ থেকে কোন ফি নেয়া হয় না।
২) বাজেট নির্ধারণ:
দ্বিতীয় ধাপে আয়োজক পুরষ্কারের পরিমাণ নির্ধারণ করে। পুরষ্কারের মূল্য সর্বনিম্ন ১০০ ডলার থেকে শুরু করে এক থেকে দুই হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। এটি সম্পূর্ণ আয়োজকের বাজেটের উপর নির্ভর করে।
৩) প্রতিযোগিতা শুরু:
প্রত্যেকটি প্রতিযোগিতা সর্বনিম্ন ১ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। এই সময়ের মধ্যে ডিজাইনাররা প্রজেক্টের ব্রিফের উপর নির্ভর করে ডিজাইন তৈরি করে এবং তৈরিকৃত ডিজাইনের একটি ছবি ওয়েবসাইটে জমা করে। এই ছবিগুলো যে কেউ দেখতে পারে। এতে একজনের ডিজাইন দেখে তার থেকে ভাল আরেকটি ডিজাইন তৈরি করার মানসিকতা ডিজাইনারদের মধ্য কাজ করে। যা পরিশেষে আয়োজকের জন্য সুফল বয়ে আনে। প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে আয়োজক জমা দেয়া প্রত্যেকটি ডিজাইনকে একটি রেটিং এবং একটি মন্তব্য প্রদান করে। কোন ডিজাইন ভাল না হলে তা ঠিক করার পরামর্শও আয়োজক দিয়ে থাকে। প্রত্যেক ডিজাইনার একের অধিক ডিজাইন জমা দিতে পারে।
৪) বিজয়ী নির্ধারণ:
রেটিং এবং মন্তব্য প্রদানের মাধ্যমে আয়োজক ডিজাইনারদের সাথে যোগাযোগ করে এবং তার কাঙ্খিত ডিজাইন তৈরি করিয়ে নেয়। প্রতিযোগিতা শেষ হবার পর আয়োজক একজনকে বিজয়ী হিসেবে নির্ধারণ করে এবং তার পুরষ্কার প্রদান করে। সবশেষে ডিজাইনার তার তৈরিকৃত মূল ডিজাইনের ফাইল আয়োজককে দিয়ে দেয়।
প্রতিযোগিতার প্রকারভেদ:
99designs.com সাইটে পুরষ্কার প্রদানের বিভিন্ন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে নিম্নলিখিত ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় -
১) প্রিপেইড প্রতিযোগিতা:
এটি হচ্ছে সাইটটির স্ট্যান্ডার্ড একটি প্রতিযোগিতা যাতে আয়োজক পুরষ্কারের মূল্য প্রতিযোগিতা শুরুর পূর্বেই 99designs.com সাইটে জমা রাখে। প্রতিযোগিতা শেষে সাইটটি বিজয়ী ডিজাইনারকে অর্থ প্রদান করে থাকে। এ ধরনের প্রতিযোগিতায় আয়োজক কোন ডিজাইন পছন্দ না হলে প্রতিযোগিতা বাতিল করে অর্থ ফেরত নিতে যেতে পারে। প্রিপেইড প্রতিযোগিতার সময় হচ্ছে ৭ দিন। প্রতিযোগিতা শেষে আরো ৭ দিনের মধ্যে আয়োজক একজন ডিজাইনারকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করতে পারে অথবা কোন ডিজাইন পছন্দ না হলে প্রতিযোগিতা বাতিল করতে পারে।
২) গ্যারান্টেড প্রতিযোগিতা:
গ্যারান্টেড প্রতিযোগিতা ডিজাইনারদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ একটি পদ্ধতি যা বেশিরভাগ ডিজাইনারকে আকৃষ্ট করে। ফলে আয়োজক সর্বোৎকৃষ্টমানের ডিজাইন পেতে পারে। পুরষ্কার প্রদানের পদ্ধতি প্রিপেইড প্রতিযোগিতার মতই, তবে এই পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতা শেষে আয়োজক নিশ্চিতভাবে একজন ডিজাইনারকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে এবং তার পুরষ্কারের মূল্য প্রদান করে। গ্যারান্টেড প্রতিযোগিতায় আয়োজক প্রতিযোগিতা বাতিল বা সাইটে জমা দেয়া অর্থ ফেরত নিতে পারে না।
৩) পে-অন-উইন প্রতিযোগিতা:
এটি সাইটের প্রথম দিককার প্রতিযোগিতার পদ্ধতি ছিল, যা এখন আর নেই। এই পদ্ধতিতে প্রতিযোগিতার আয়োজক সাইটে পুরষ্কারের অর্থ জমা না রেখে সরাসরি বিজয়ী ডিজাইনারকে প্রদান করত। অন্যদিকে বর্তমানে এই কাজটি 99designs.com সাইটটি বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে করে থাকে।
৪) ফাস্ট ট্র্যাক প্রতিযোগিতা:
এই ধরনের প্রতিযোগিতা একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য আয়োজন করা হয়, সাধারনত ১ থেকে ৩ দিন। সাধারণত এই ধরনের প্রতিযোগিতার পুরষ্কারের মূল্য অন্যান্য ধরনের প্রতিযোগিতা থেকে বেশি হয়ে থাকে।
৫) প্রাইভেট প্রতিযোগিতা:
প্রাইভেট প্রতিযোগিতাগুলো প্রিপেইড প্রতিযোগিতার মতই, তবে শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে লগইন করার পর দেখা যায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতাকে সাইটের সার্চে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না এবং এগুলো সার্চ ইঞ্জিন থেকে লুকানো থাকে।
পুরষ্কারের অর্থ উত্তোলনের পদ্ধতি:
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ডিজাইনার তার তৈরিকৃত ডিজাইনারের মূল ফাইল সাইটে আপলোড করে দেয়। আয়োজক কাজটি গ্রহণ করার সাথে সাথে পুরষ্কারের সম্পূর্ণ অর্থ ডিজাইনারের একাউন্টে জমা হয়ে যায়। মোট আয় ৫০ ডলারের অধিক হলেই ওয়েবসাইটটি থেকে ৪টি পদ্ধতির যে কোন একটি ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলন করা যায়। পদ্ধতিগুলো হচ্ছে - পেপাল, অল্টারপে, মানিবুকারস এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন। বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারা শেষের দুটি পদ্ধতির মাধ্যমে সহজেই অর্থ উত্তোলন করতে পারবে।
সৃজনশীল এবং দক্ষ ডিজাইনারদের জন্য 99designs.com সাইটটি ইন্টারনেট থেকে আয় করার একটি চমৎকার মার্কেটপ্লেস। এই সাইটে যেহেতু একজনের ডিজাইন অন্য আরেকজন দেখতে পারে ফলে নতুন ডিজাইনারা এই পদ্ধতিতে ডিজাইনের নতুন নতুন আইডিয়া শিখতে পারবে। একটি ডিজাইন জমা দেয়ার সাথে সাথেই যেহেতু ক্লায়েন্টের মতামত ও রেটিং পাওয়া যায়, তাতে ডিজাইনার জানতে পারে তার ডিজাইন কতটকু গ্রহণযোগ্য এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারে। এই সাইটের অন্য আরেকটি ভাল দিক হচ্ছে এখানে অন্যান্য সাইট থেকে তুলনামূলকভাবে বেশি মূল্যের কাজ পাওয়া যায়। উদাহরণসরূপ এই সাইটে একটি ছোট্ট লোগো ডিজাইন করার জন্য প্রায়ই ৫০০ ডলারের গ্যারান্টেড পুরষ্কার প্রদান করা হয়, যা সত্যি অভাবনীয়।
গেমস তৈরি করে আয়
| author: mahmudবর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে এনিমেশন, ওয়েবসাইট, ব্যানার, দ্বিমাত্রিক গেমস ইত্যাদি তৈরির জন্য ফ্লাশ (Flash) অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সফটওয়্যার। আমাদের দেশেও প্রচুর প্রফেশনাল ফ্লাশ ডেভেলপার রয়েছেন। আউটসোর্সিং এর জগতে ফ্লাশের রয়েছে বেশ ভাল কদর। ফ্লাশ দিয়ে তৈরি করা একটি ওয়েবসাইটের দাম সাধারণ ওয়েবসাইট থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে। ফ্লাশ দিয়ে একদিকে যেরকম নজরকাড়া ডিজাইন তৈরি করা যায়, অন্যদিকে এর একশনস্ক্রিপ্ট দিয়ে শক্তিশালী ও উন্নতমানের সফটওয়্যার তৈরি করা সম্ভব। ফ্লাশ দিয়ে তৈরি করা গেমগুলো যেকোন বয়সের মানুষই পছন্দ করে। ফ্লাশ দিয়ে গেমস তৈরিতে পারদর্শী হলে এটি হতে পারে ঘরে বসে আয়ের অন্যতম মাধ্যম। এই সুযোগটি করে দিচ্ছে মোচিমিডিয়া (www.MochiMedia.com) নামক একটি চমৎকার ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটটি প্রকৃতপক্ষে একটি বিজ্ঞাপনের নেটওয়ার্ক, যাদের রয়েছে ১৪ হাজারের উপর ফ্লাশ গেমসের বিশাল সংগ্রহ। যা ৩০ হাজার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১০ কোটি গেমারের কাছে ডেভেলপারের তৈরিকৃত গেমকে বিনামূল্যে পৌছে দেয়। তার বিনিময়ে গেমে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়, যা থেকে প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ গেম ডেভেলপারকে দেয়া হয়।
তাহলে দেখে নেয়া যাক মোচিমিডিয়া ওয়েবসাইটটি কিভাবে কাজ করে। ওয়েবসাইটে তিন ধরনের ব্যবহাকারী রয়েছে - গেম ডেভেলপার, গেম প্রকাশক এবং বিজ্ঞাপনদাতা। প্রথমে গেম ডেভেলপার একটি গেম তৈরি করে ওয়েবসাইটে জমা দেয়। গেম প্রকাশকরা গেমটিকে মোচিমিডিয়া থেকে ডাউনলোড করে তাদের নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। সেই সকল ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারী গেমাররা যখন গেমটি খেলে তখন গেমের মধ্যে একটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়। প্রত্যেকবার বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবার জন্য বিজ্ঞাপনদাতা মোচিমিডিয়াকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে। মোচিমিডিয়া গেম ডেভেলপারকে সেই অর্থের ৫০% প্রদান করে। এভাবে যে কেউ প্রত্যেকবার গেম খেলার সাথে সাথে গেম ডেভেলপার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আয় করতে থাকে। এই আয়ের পরিমাণটি কত সেই তথ্য নির্দিষ্ট করে সাইটে দেয়া নেই। এটি নির্ভর করে গেমে যে বিজ্ঞাপনটি প্রদর্শিত হচ্ছে তার উপর। অন্যান্য ডেভেলপারদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, গড়ে প্রতি ১ হাজার বার গেম খেলা হলে গেম ডেভেলপার ১ ডলার আয় করে। সেই হিসেবে মোচিমিডার ৩০ হাজার পাবলিশারের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার পাবলিশারের ওয়েবসাইটে যদি ১ বার করেও প্রতিদিন আপনার গেম খেলা হয় তাহলে একটি গেম থেকেই প্রতিদিন ১০ ডলার করে আয় করা সম্ভব। গেম পাবলিশারদের মধ্যে অনেকগুলো বিখ্যাত ওয়েবসাইট। যাদের মধ্য উল্লেখযোগ্য হচ্ছে Hi5, MindJolt, GamePro এবং AOL এর মত বিখ্যাত সাইটগুলো। এইসব সাইটে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ ব্যবহারকারী ভিজিট করে। সেই হিসেবে একটি উন্নতমানের গেম তৈরি করতে পারলে ধারণার চেয়েও বেশি পরিমাণে আয় করা সম্ভব।
মোচিমিডিয়ায় গেম ডেভেলপারদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস রয়েছে, যা গেম তৈরি করার সময় গেমে এপিআই বা একধরনের কোড যুক্ত করে পাওয়া যায়। এপিআইগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে -
১. Ads API:
কেবলমাত্র একটি লাইনের বিজ্ঞাপনের এপিআই কোড যোগ করে যে কোন গেমকে আয়ের উৎসে পরিণত করা যায়। বিজ্ঞাপনকে একটি গেমের যে কোন তিনটি স্থানে যোগ করতে পারবেন - গেম শুরু হবার পূর্বে, গেমের দুটি লেভেলে মধ্যে অথবা খেলা চলাকালীন সময়ে একটি লিংক যুক্ত করে। বিজ্ঞাপনকে নিজের ইচ্ছেমত নিয়ন্ত্রণ করা যায়, অর্থাৎ বিজ্ঞাপনটি কখন দেখাবে আর কখন দেখাবে না তাও ঠিক করে দেয়া যায়। বিজ্ঞাপণগুলো Cost per thousand impression (CPM), Cost per Click (CPC) এবং Cost per Acquisition (CPA) পদ্ধতিতে প্রদর্শন করা হয়। CPC বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে ডেভেলপারকে অর্থ প্রদান করা হয়। তবে বেশিরভাগ সময় CPM পদ্ধতিতে বিজ্ঞাপনগুলো দেখানো হয়, অর্থাৎ প্রতিবার বিজ্ঞাপন দেখানোর সাথে সাথে গেম ডেভেলপার আয় করতে থাকে।
২. Analytics API:
মোচি এনালাইটিক এপিআই হচ্ছে একটি ফ্রি সার্ভিস যা দিয়ে একজন ফ্লাশ ডেভেলপার তার তৈরিকৃত গেমসকে প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। এই সার্ভিসের মাধ্যমে গেমটি কতবার খেলা হয়েছে, কোন কোন সাইটে খেলা হচ্ছে ইত্যাদি তথ্য সহজেই জানা যায়। এই সার্ভিসটি ফ্লাশ গেমস ছাড়াও যে কোন ধরনের ফ্লাশ কন্টেন্ট বা ফাইলকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য মোচিমিডিয়া সাইট থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন। যে কোন ফ্লাশ ফাইলের সাথে একটি একশনস্ক্রিপ্ট কোড যুক্ত করে ফাইলকে পর্যবেক্ষণের উপযোগী করতে পারবেন।
৩. Coins API:
মোচি কয়েন এপিআই ব্যবহার করে ফ্লাশ গেম ডেভেলপারা একটি গেম থেকে অতিরিক্ত আরো অর্থ আয় করতে পারে। এই পদ্ধতিতে একটি গেমের মধ্যে বিভিন্ন লেভেল আনলক করা, গেমের মধ্যে বিভিন্ন অতিরিক্ত সরঞ্জাম, অস্ত্র, চিটকোড ইত্যাদি বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। এগুলো বিক্রির জন্য মোচিমিডিয়া বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট পদ্ধতি প্রদান করে থাকে। প্রতিটি আইটেম বিক্রির ৬০% অর্থ গেম ডেভেলপারকে দেয়া হয়।
৪. Scores API:
মোচি স্কোর এপিআই এর মাধ্যমে একটি গেমে সর্বোচ্চ স্কোর করা খেলোয়াড়দেরকে প্রদর্শন করা যায়। ফলে অধিক স্কোর করার নেশায় গেমাররা পুনরায় আপনার গেম খেলবে। গেমের মধ্যে স্কোরবোর্ড যোগ করাও অত্যন্ত সহজ, মাত্র কয়েক লাইনের কোড যোগ করলেই পাওয়া যায়। স্কোরবোর্ডকে গেমের ডিজাইনের সাথে মিল রেখে ইচ্ছেমত পরিরর্তন করা যায়। স্কোরবোর্ডকে ফেইসবুকের সাথে যুক্ত করা যায়, ফলে গেমাররা ফেইসবুকে তাদের বন্ধুদেরকে গেম খেলায় আমন্ত্রণ জানাতে পারে।
৫. Live Updates:
মোচি লাইভ আপডেট সার্ভিসের মাধ্যমে গেমের সর্বশেষ ভার্সনকে মূহুর্তের মধ্যেই সকল সাইটে ছড়িয়ে দেয়া যায়। ধরা যাক, আপনার গেমটি ২০ হাজার সাইটে খেলা হচ্ছে। সেই মূহুর্তে গেমে একটি বাগ বা ভুল ধরা পড়ল। ভুলটি ঠিক করে মোচিমিডিয়া সাইটে জমা দিলে লাইভ আপডেট সার্ভিসের মাধ্যমে তা সকল সাইটে আপডেট হয়ে যাবে। একই পদ্ধতিতে গেমের ভার্সনকে আপডেট ও নতুন ফিচার যুক্ত করা যাবে।
মোচিমিডিয়াতে জমা দেয়া গেমে কেবলমাত্র মোচি কর্তৃক প্রদত্ত বিজ্ঞাপন নয়, ইচ্ছে করল আপনি নিজে স্পন্সর জোগাড় করে অতিরিক্ত আরো অর্থ আয় করতে পারেন। স্পন্সর পাওয়া যায় এরকম একটি ভাল ওয়েবসাইট হচ্ছে www.FlashGameLicense.com । মোচিমিডিয়াতে একটি শক্তিশালী কমিউনিটি রয়েছে যাতে যেকোন ধরনের বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। ওয়েবসাইটে একবার রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে আপনি একই সাথে একজন ডেভেলপার, পাবলিশার এবং একজন বিজ্ঞাপনদাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবেন। পাবলিশার সার্ভিসের মাধ্যমে মোচিমিডিয়া ওয়েবসাইটের গেমগুলোকে নিয়ে আপনি একটি স্বতন্ত্র গেমিং সাইট তৈরি করতে পারবেন। আপনার সাইট থেকে গেম খেলা হলে বিজ্ঞাপনদাতা কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ১০% আপনাকে দেয়া হবে। গেম তৈরি করে অথবা নিজের ওয়েবসাইটে গেম পাবলিশ করে মোট আয় ৩০ ডলার বা তার চেয়ে অধিক হলে মানিবুকারস, চেক বা পেপালের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
আমাদের দেশে অনেকে মোচিমিডিয়ার জন্য গেম তৈরি করে আয় করছেন। এরকম একটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে "মুক্ত সফটওয়্যার" www.MuktoSoft.com । আবার অনেকে পাবলিশার হিসেবে মোচিমিডিয়ার গেমগুলোকে নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন। আমাদের দেশী ওয়েবসাইট নির্মাতাদের তৈরি এরকম একটি সাইট হচ্ছে www.StreetGamers.net । স্ট্রীট গেমারস ওয়েবসাইটটি এখনও ডেভেলপমেন্ট পর্যায়ে রয়েছে। তবে এখনই এই ওয়েবসাইট থেকে মোচিমিডিয়া প্রদত্ত গেমগুলো বিনামূল্যে খেলা যায়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে RSS Feed এর মাধ্যমে মোচিমিডিয়ার গেমগুলোকে স্ট্রীট গেমারস সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিদিন যুক্ত করা হয়। আর এই কাজের জন্য PHP স্ক্রিপ্ট মোচিমিডিয়া ওয়েবসাইট থেকেই সংগ্রহ করা যায়।
ডাটা এন্ট্রি কাজের পরিচিতি
| author: mahmudতথ্য প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডাটা এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। ডাটা এন্ট্রি (Data Entry) হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ধরনের ডাটা একটি স্থান/প্রোগ্রাম থেকে অন্য আরকটি স্থানে/প্রোগ্রামে প্রতিলিপি তৈরি করা। ডাটাগুলো হতে পারে হাতে লেখা কোন তথ্যকে কম্পিউটারে টাইপ করা অথবা কম্পিউটারের কোন একটি প্রোগ্রামের ডাটা একটি স্প্রেডশীট ফাইলে সংরক্ষণ করা। কম্পিউটার ব্যবহারের শুরু থেকেই ডাটা এন্ট্রির ধারনা চলে এসেছে। বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যাণে তথ্যের আদান প্রদান বিস্তৃত হয়েছে, সেই সাথে বেড়েছে বিভিন্ন ধরনের ডাটাকে সুবিসন্নস্ত করে এর বহুবিধ ব্যবহার। তাই দক্ষ ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। এধরনের কাজগুলো একা বা দলগতভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাধারণ ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। ফলে যে কেউ এই ধরনের কাজ করে ঘরে বসেই বৈদিশিক মুদ্রা আয় করতে পারে।
কোথায় পাওয়া যাবে:
ডাটা এন্ট্রি এর কাজগুলো সাধারণ ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস সাইটেই পাওয়া যায়। অনেক ধরনের ওয়েবসাইট রয়েছে যাতে বলা হয় বিপুল পরিমাণে ডাটা এন্ট্রি এর কাজ পাওয়া যাবে। কিন্তু ওই সাইটে রেজিষ্ট্রশন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হয়। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন করার পূর্বে আপনি জানতে পারছেন না সত্যিই ওই সাইটে কাজ পাওয়া যায় কি না, তাই এই ধরনের সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করা থেকে বিরত থাকাই ভাল। বিনামূল্যে রেজিষ্ট্রেশন করে ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় এরকম সাইট হচ্ছে - www.GetAFreelancer.com, www.oDesk.com, www.GetACoder.com, www.ScriptLance.com ইত্যাদি। এই সাইগুলোতে ডাটা এন্ট্রি কাজের আলাদা বিভাগ রয়েছে। সাইটগুলোতে কয়েকশত ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলারের প্রজেক্ট রয়েছে। সাধারণত 'প্রতি একহাজার ডাটা এন্ট্রির জন্য একটি নির্দিষ্ট ডলার' এই ভিত্তিতে কাজ পাওয়া যায়। অনেকক্ষেত্রে সম্পূর্ণ কাজের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দেয়া হয়।
প্রয়োজনীয় দক্ষতা:
ডাটা এন্ট্রি প্রজেক্টে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হয় যা একটি প্রজেক্টের উপর নির্ভর করে। অনেক ধরনের প্রজেক্ট পাওয়া যায় যাতে শুধুমাত্র কপি-পেস্ট ছাড়া আর কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। তবে সাধারণভাবে যে দক্ষতাগুলো সবসময় প্রয়োজন পড়বে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে - দ্রুত টাইপিং করার ক্ষমতা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ও বিশেষ করে মাইক্রোসফট এক্সেলে পরিপূর্ণ দখল এবং সর্বোপরি ইংরেজিতে ভাল জ্ঞান। তার সাথে রয়েছে ইন্টারনেটে সার্চ করে কোন একটি তথ্য খোঁজে পাবার দক্ষতা এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট, ফোরাম, ওয়েব ডাইরেক্টরী সম্পর্কে ভাল ধারণা।
ডাটা এন্ট্রি কাজের প্রকারভেদ:
ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে যেসকল ডাটা এন্ট্রি কাজ পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে - বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফাইল, ছবি ইত্যাদি আপলোড করা, বিভিন্ন সাইট থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য এক্সেলের একটি ফাইলে সংরক্ষণ করা, ওয়েবসাইটের জন্য একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আর্টিকেল লেখা, একটি ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ফোরাম, গ্রুপে গিয়ে পরিচয় (Promote) করিয়ে দেয়া, দুটি ওয়েবসাইটের মধ্যে লিংক আদান প্রদান করা (Link Exchange), অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে সাহায্য করা, OCR (অপটিক্যাল কারেক্টার রিকগনিশন) থেকে প্রাপ্ত লেখার ভুল সংশোধন করা ইত্যাদি।
নিচে ওডেস্ক এবং গেট-এ-ফ্রিল্যান্সার সাইটে গত নভেম্বর মাসে প্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:
১) লোকাল বিজনেসের তথ্য প্রদান: এই প্রজেক্টে বায়ারের (Buyer) রিকোয়ারমেন্ট হচ্ছে ইন্টারনেটে সার্চ করে যুক্তরাজ্যের একটি নির্দিষ্ট শহরের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি তথ্য প্রদান করা। বায়ার এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কাজে ব্যবহার করবে। এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করতে প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটে ওই শহরের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে এবং প্রাপ্ত তথ্য একটি এক্সেল ফাইলে সেইভ করে বায়ারকে প্রদান করতে হবে। প্রজেক্টে বায়ারের বাজেট হচ্ছে ৫০ ডলার। তবে ঠিক কতটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং কতদিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে সে বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেয়া নেই।
২) ওয়েবসাইট থেকে ডাটা সংগ্রহ করা: এই প্রজেক্টে বায়ার কয়েকটি ওয়েবসাইটের তথ্য দিয়ে দিবে। প্রোভাইডার হিসেবে আপনার কাজ হবে ওই সাইটগুলো থেকে নির্দিষ্ট কিছু ডাটা আরেকটি ওয়েবসাইটের ফরমের মধ্য সেইভ করা। প্রতি ঘন্টায় এরকম ২০০ টি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে, অর্থাৎ প্রতি ১৮ সেকেন্ডে একটি ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজটি করার জন্য কোন বিশেষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, শুধু মাত্র কপি এবং পেস্ট করা জানলেই হবে। সম্পূর্ণ কাজের জন্য বায়ারের বাজেট হচ্ছে ১২০ ডলার।
৩) অডিও ট্রান্সক্রিপশন: এই প্রজেক্টে বায়ার পূর্বে রেকর্ডকৃত কয়েকটি অডিও (Audio) ফাইল দিবে। আপনার কাজ হবে অডিও শুনে ইংরেজিতে একটি ফাইলে লেখা বা প্রতিলিপি তৈরি করা। প্রতি ঘন্টার অডিও ফাইল প্রতিলিপির জন্য ২০ ডলার দেয়া হবে। এই কাজের জন্য ইংরেজিতে অবশ্যই পারদর্শী হতে হবে।
৪) ডকুমেন্ট কনভার্শন: এই প্রজেক্টে আপনাকে PDF ফরমেটের একটি ডকুমেন্ট ফাইল দেয়া হবে। আপনার কাজ হবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ওই লেখাগুলো হুবহু প্রতিলিপি করা। অর্থাৎ পিডিএফ এর লেখাটির ফরমেট, ছবি, ফুটনোট ইত্যাদি অপরিবর্তিতভাবে ওয়ার্ড ফাইলে প্রতিস্থাপন করা। এই কাজের জন্য গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে ২৭ টি বিড পড়েছে এবং গড় মূল্য হচ্ছে ৬৫ ডলার।
৫) ক্লাসিফাইড এড লিস্টিং: এই প্রজেক্টটি হচ্ছে একটি ক্লাসিফাইড বা শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপনের ওয়েবসাইটে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন যোগ করা। এজন্য Craigslist, Amazon, Ebay ইত্যাদি সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্যের তথ্য ওই ওয়েবসাইটটিতে যোগ করতে হবে এবং একটি এক্সেল স্প্রেডশীট ফাইলে এই তথ্যগুলো সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর পণ্যটির বিক্রেতার কাছে ইমেলই করে তাকে ওয়েবসাইটি সম্পর্কে জানাতে হবে। এরকম ৫০০ টি পণ্যের ডাটা এন্ট্রি করতে হবে। এই কাজের জন্য বায়ারের সর্বোচ্চ বাজেট হচ্ছে ২৫০ ডলার।
৬) ক্যাপচা (Captcha) এন্ট্রি: ক্যাপচা হচ্ছে কয়েকটি অক্ষর ও সংখ্যার সমন্নয়ে একধরনের সিকিউরিটি কোড বা ছবি যা বিভিন্ন সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করার সময় প্রদান করতে হয়। কোন প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে কেউ যাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি সাইটে রেজিষ্ট্রেশন বা ফরম পূরণ করতে না পারে এজন্য এটি ব্যবহার করা হয়। গেট-এ-ফ্রিল্যান্সারে প্রাপ্ত এই কাজে দুইদিনের মধ্যে 36K বা ৩৬,০০০ হাজার ক্যাপচা এন্ট্রি করতে হবে। প্রতি 1K বা এক হাজারটি এন্ট্রি করার জন্য ১ ডলার দেয়া হবে অর্থাৎ মোট প্রজেক্টের মূল্য হচ্ছে ৩৬ ডলার। যেহেতু একার পক্ষে কম সময়ে এত ডাটা এন্ট্রি করা সম্ভব নয় তাই সম্পূর্ণ কাজটি করার জন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটি টিম থাকতে হবে। দুই দিনের মধ্যে সফলভাবে কাজটি করতে পারলে বায়ার পরবর্তীতে 1200K অর্থাৎ ১২,০০,০০০ ক্যাপচা এন্ট্রি করার কাজ দিবে যা দুই সপ্তাহের মধ্যে করতে হবে।
অসুবিধাসমূহ:
যদিও ডাটা এন্ট্রি এর কাজ তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু এই ধরনের কাজে অনেক ধরনের অসুবিধা রয়েছে, যা পূর্বে বিবেচনা করেই কাজে নামা উচিত:
* প্রথমত এই ধরনের কাজে অনেক বেশি বিড পড়ে, তাই প্রথম অবস্থায় কাজ পাওয়া খুব কঠিন। এই ধরনের কাজে আপনার মেধা বা দক্ষতা প্রমাণের প্রাথমিকভাবে কোন সুযোগ নেই। তবে ছোটখাট কয়েকটা কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে ফেলতে পারলে একই বায়ারের কাছ থেকে আরো অনেক কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
* ডাটা এন্ট্রি কাজগুলো সময়সাপেক্ষ, একঘেয়ে এবং প্রায় ক্ষেত্রে বিরক্তিকর।
* অনেক কাজের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব কাজে ফাইল আপলোড করতে হয় অথবা যে কাজগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে, সেক্ষেত্রে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন রয়েছে।
* অনেক ডাটা এন্ট্রির কাজ রয়েছে যা একার পক্ষে একটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ করা সম্ভব নয়। এজন্য ৫ থেকে ১০ জনের একটা টিম গঠন করার প্রয়োজন পড়তে পারে।
* ডাটা এন্ট্রির কাজগুলো খুবই সতর্কতার সাথে এবং নির্ভুলভাবে করতে হয়। তাই শতভাগ নির্ভুল টাইপিং এবং কাজের সময় পূর্ণ মনযোগ রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রোগ্রামিং করে ডাটা এন্ট্রি:
অনেক ডাটা এন্ট্রি কাজ রয়েছে যা প্রোগ্রামিং করে করা সম্ভব। প্রোগ্রামিং এ যারা দক্ষ তারাও ইচ্ছে করলে ডাটা এন্ট্রের কাজগুলো সহজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে আমার একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট ছিল যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের ২,৫০০ টি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের লিংক এনে দেয়া যাদের ওয়েবসাইটে কোন সিকিউরিটি সিল (এক ধরনের ছবি) নেই। ক্লায়েন্টের উদ্দেশ্য ছিল তাদের কাছে তার নিজের কোম্পানির সিকিউরিটি সিল বিক্রির জন্য ইমেইল দেয়া। প্রজেক্টের মোট মূল্য ছিল ৩০০ ডলার এবং ডেডলাইন ছিল মাত্র ৭ দিন। এই প্রজেক্টটি খুবই সময় সাপেক্ষ ছিল। কারণ সার্চ করে ৫,০০০ থেকে ৮,০০০ সাইটে যেতে হবে এবং সেই সাইটগুলোতে গিয়ে দেখতে হবে তাদের সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা। ধরা যাক সমস্ত কাজ করতে প্রতি সাইটের পেছনে যদি ১ মিনিট করে সময় ব্যয় হয়, তাহলে ৫,০০০ সাইটের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ৮ ঘন্টা কাজ করে একজন অপারেটেরর মোট সময় লাগবে ১০ দিন। কাজটি আমি ম্যানুয়ালি না করে প্রোগ্রামিং করে সম্পন্ন করার স্বীদ্ধান্ত নিলাম এবং PHP দিয়ে দুটি প্রোগ্রাম তৈরি করলাম - একটি প্রোগ্রাম গুগল এবং ইয়াহু ডাইরেক্টরি থেকে সার্চ করে ওই দুই দেশের ই-কমার্সের সাইটের তথ্য একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করবে। আরেকটি প্রোগ্রাম ডাটাবেইজ থেকে তথ্যগুলো নিয়ে একটি একটি করে সাইটে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাবে এবং ওই সাইটে কোন সিকিউরিটি সিল আছে কিনা যাচাই করে দেখবে। প্রোগ্রামটি তৈরি করার পর আমি আমার সার্ভারে Cron Job এর মাধ্যমে দুটি প্রোগ্রামকে চালাই। এই পদ্ধতিতে প্রোগ্রামিং করা থেকে সার্চ করা পর্যন্ত মোট সময় লেগেছিল মাত্র দুই দিন এবং প্রোগ্রামটির মাধ্যমে এই সময়ের মধ্যে ৮,০০০ সাইটে সার্চ করে ৪,০০০ টি সিলবিহীন সাইট পেয়েছিলাম।
বাস্তবিক পক্ষে ডাটা এন্ট্রি কাজের রয়েছে বিশাল চাহিদা এবং কাজের পরিধিটাও অনেক বিস্তৃত। প্রথমদিকে একটু ধৈর্য্য সহকারে বিড করা এবং কাজ বাছাই করার ক্ষেত্রে একটু বুদ্ধিমত্ত্বার পরিচয় দেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে যেসব ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরও বড় প্রজেক্ট পাবার সম্ভাবনা রয়েছে সেই প্রজেক্ট পাবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতে একাই কাজ করুন। ভবিষ্যতে বড় কাজ পেলে কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটরকে নিয়ে একটি টিম গঠন করাতে পারেন। তখন ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর মাধ্যমে বেকার জনগণকে জনশক্তিতে পরিণত করতে আপনিও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
ফ্রি ওয়েবসাইট আর অনলাইনে টাকা কামানোর রহস্য
| author: mahmudনতুন ২০০৯ সাল সবার জীবনে আনন্দ উল্লাস আর শান্তির বার্তা বয়ে আনুক – সেই আশা নিয়ে আজকের এই পোষ্ট শুরু করছি। ইদানীং আমার পোষ্ট যারা পড়েন, সবাই এক বাক্যে বলবেন – আমি একই বিষয় নিয়ে কথা বলি। অনেকের কাছেই একঘেয়ে মনে হতে পারে সে জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। তাই প্রথম প্যারাতেই বলে নিচ্ছি কি কি বিষয় নিয়ে কথা বলব।
1. ইন্টারনেটে ব্লগিং-এ কেমন করে এলাম এবং কোথায় থেকে ইন্টারনেটে টাকা কামানোর অনুপ্রেরনা খুঁজে পেলাম।
2. কিভাবে বেশি টাকা কামানো যায় – আমার সমীকরন ( আসলে যারা টাকা কামায় এটা সবাই জানে, কেউ বলে না)
3. কেন আমি বিনামূল্য ডোমেইন, হোস্টিং কিংবা ওয়েবসাইট বানিয়ে দিচ্ছি? আমার লাভ কোথায়?
4. বিনামূল্যে ওয়েবসাইট পেতে কি করতে হবে?
-------------------------------------------------
ইন্টারনেটে ব্লগিং –এ কেমন করে এলাম এবং কোথায় থেকে ইন্টারনেটে টাকা কামানোর অনুপ্রেরনা খুঁজে পেলাম
---------------------------------------------------
২০০৫ সালে দেশ ছাড়ি। তার আগে সেইসালেই কোনো এক সময় Somewherein বলে এক নরয়েজিয়ান কোম্পানীর নাম শুনি, তারা নাকি অনেক টাকা দিয়ে ডেভেলপার নিয়োগ করছে। সবার কথা শুনে তাদের নিয়ে একটু গবেষনা করলাম, সেখানে একজনের CV দেখে অভিভুত হয়ে গেলাম – নাম তার হাসিন। কারন তার নাম আগেও শুনেছিলাম PHPExperts এ, তাই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম ওখানে ইন্টারভিউ দিলাম। ওখানকার পরিবেশ, সবার আন্তরিকতা দেখে খুবই ভাল লাগল। কিন্তু সাক্ষাতকার বিফলে গেল, চাকুরি পেলাম না। আমারই অভিজ্ঞতা আর মেধা ছিল না, যাইহোক তাই বলে ওদের উপর অভিমান করিনি। প্রায় ওদের ওয়েবসাইটে ঢুকতাম, দেখতাম ওরা কি করছে। যখন দেখলাম ওরা somewherein..blog বলে একটা ওয়েবসাইট করেছে দেরি না করেই ব্লগারের খাতায় নাম লিখলাম এবং লিখতে শুরু করলাম। সেই বিচারে আমি সবচেয়ে পুরোনো ব্লগারদের মধ্যে একজন।
সেই সময়ে ব্লগ কি জিনিস বুঝতাম না, শুধু বুঝতাম ডায়রি লেখার মতো কিছু একটা। তাই যা মনে আসতো তাই লিখতাম। সেখানে সাদিক মোহাম্মদ আলমের ব্লগ দেখলাম এবং লিংক ধরে তার blogspot এর ব্লগে গেলাম্ দেখলাম প্রচুর লোক তার ব্লগে যায়, পড়ে এবং কমেন্ট করে। আমার তেমনি একটা ব্লগ করতে ইচ্ছে হল্। আমিও blogspot এ ব্লগ খুললাম। কিন্তু ভিজিটর পাচ্ছিলাম না। তাই এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম কিভাবে ভিজিটর পাওয়া যায়, সে একটা তিন শব্দের একটা মন্ত্র বলে দিল – সেই দিন থেকে আমার মধ্যে একটা অন্য আমি জন্ম নিল। মন্ত্রটি ছিল – search engine optimization।
আমি আরোও কিছু জানতে চাইলাম, ও বলল SEO forum এ জয়েন কর, অনেক জানতে পারবি্। Talk.iwebtool.com এ যোগ দিলাম। আজ পর্যন্ত ওই ফোরামে আমার সর্বমোট পোষ্ট প্রায় ১৪০০ এবং ওরা আমাকে মডারেটর বানিয়ে দিয়েছে। বেশ কিছুদিন হল অনিয়মিত হয়ে পড়েছি।
যাই হোক ব্লগ হয়, SEO নিয়ে সামান্য জ্ঞান হল – তখন ভাবলাম ব্লগের পেছনে যখন সময় নষ্ট করছি, তাহলে কিছু পয়সা কামাতে পারলে মন্দ হতো না। সেখান থেকেই ইন্টারনেটে টাকা কামানোর দিকে ঝুকে পড়লাম।অনিয়মিতভাবে বেশ কয়েকবারই চেষ্টা করেছি, প্রত্যেকবারই ব্যর্থ হয়েছি। অবশেষে গতবছরের মাঝের দিকে সফলতা পেতে শুরু করেছি। আপাতত এখন আমি শুধু Google Adsense থেকেই মাসে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ ডলার পাই। এছাড়াও আরোও কিছু পদ্ধতিতে মাসে ৮০ থেকে ১০০ ডলারের মতো পাই।
---------------------------------------------------
টাকা কামানোর আমার সহজ সমীকরন (আমার আবিস্কার নয়, শুধু বর্ণনা করছি)
----------------------------------------------------
ইন্টারনেটে সবোর্চ্চ কত টাকা কামানো যায় তার হিসেব কেউ দিতে পারবে না। তবে বেশ কিছু ব্লগার ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ ডলার কামায়। তারা কি করে – ব্লগ লিখেই যদি এত টাকা কামানো যায় তবে সবাই কামাচ্ছে না কেন? উত্তরে তিনটি কারনে, জ্ঞান, প্লানিং এবং সময়।
জ্ঞান – কিভাবে ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় পাঠাবেন (search engine optimization)
প্লানিং – যেকোন বিষয়ে নিয়ে ব্লগ লিখলেই চলবে না, গবেষনা করে বের করতে হবে – কোন বিষয়ে পাবলিক ওয়েবসাইট ভিজিট করছে কিংবা দ্রব্যাদি কিনছে, কিংবা কোন বিষয়ের এ্যাডে তুলনামূলকভাবে বেশি পয়সা কামানো যায়।
সময় – কতটুকু সময় আপনি আপনার ওয়েবসাইটের পেছনে খরচ করছেন। শুধু সময় খরচ করলেই চলবে না, বরং কার্যকরীভাবে সময় ব্যয় করতে হবে।
তবে একটা খুব সমীকরন আছে, যা একটু পরিশ্রম করলেই তুলনামূলক ভাবে বেশি কামানো যায়। তা হল – একাধিক ওয়েবসাইট থাকতে হবে। এতে করে সব পরিশ্রম এক ওয়েবসাইটে না করে সবগুলোতে ভাগ করে দিলে – ক্লিক সংখ্যা বেশি পাওয়া যায়। আমার নিজের কথাই বলি। যখন আমার একটা ওয়েবসাইট ছিল তখন দিনে সব পরিশ্রম একটা ওয়েবসাইটকেই দিলাম – ফলাফল সবচেয়ে খারাপ দিনে ২/৩ ক্লিক পেতাম। এখন আমার বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে, সবচেয়ে খারাপ দিনে ১ ক্লিক পেলেও সব মিলিয়ে ৮/১০ টা ক্লিক পাই। তাহলে সব হিসেব – বেশি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। অবশ্য ওয়েবসাইট থাকলেই হবে না, সেগুলোর যত্নও নিতে হবে। আমি অনেককে ইন্টারনেটের মাধ্যমে চিনি – যাদের ২৫ থেকে ৫০ টা ওয়েবসাইট আছে। একজন ভারতীয় ব্লগারের কথা জানি, তার মাসে আয় ২০,০০০+ ডলার, তার শয়ের উপর ওয়েবসাইট আছে এবং সে কোম্পানী খুলে ব্লগারদের চাকুরি দেয়, যারা তার ওয়েবসাইটে লিখে এবং পয়সা কামায়।
-------------------------------------------------------------
কেন আমি বিনামূল্য ডোমেইন, হোস্টিং কিংবা ওয়েবসাইট বানিয়ে দিচ্ছি? আমার লাভ কোথায়?
------------------------------------------------------------
গতমাসে ঠিক করেছি আমি আগ্রহী বাংলাদেশি ব্লগারদেরকে ফ্রি ওয়েবসাইট দেব। এই কথা বললেই সবাই আগে প্রশ্ন করবে তাতে আমার লাভ কি কিংবা এটা কি কোনো স্ক্যামের অংশ।
না, এটা কোনো স্ক্যাম না। আমার প্রায় ১৩০ টি ডোমেইন আ্ছে এবং তিনটি বড় বড় হোস্টিং একাউন্ট আছে। এসবগুলোই পয়সা খরচ করে কিনেছি। তাই শুধু শুধু ফেলে রেখে খুব একটা লাভ হচ্ছে না। যদিও ডোমেইনগুলো ভবিষ্যতে বেশিদামে বিক্রি করে দেবার পরিকল্পনা আছে। কিন্তু তার আগে কিছু পয়সা যদি কামানো যায়, তাহলে মন্দ কি?
সর্বমোট দশজনকে দশটা ওয়েবসাইট বিনা খরচে দেব, তারা ব্লগে লিখবেন। আমি SEO দিকটা দেখব এবং কিভাবে SEO করতে হয় শিখিয়ে দেব। এর বিনিময়ে ওয়েবসাইটের আয়ের শতকরা ২৫ ভাগ আমি নেব। এরপর যখন তারা SEO কিংবা ওয়েবসাইটে পারদর্শী হয়ে যাবেন, আমার ওয়েবসাইট আমি নিয়ে নেব। এসময়ের মাঝে আপনারা নিজেদের ওয়েবসাইট করতে পারেন – তাতে আমার কোনো সমস্যা নাই। আয়ের সবটাকাই আপনাদের একাউন্টে জমা হবে – তাই টাকা হারানোর ভয় নাই
-------------------------------------------------------------
বিনামূল্যে ওয়েবসাইট পেতে কি করতে হবে?
-------------------------------------------------------------
প্রথমে নিজেকে প্রশ্ন করুন – রাতারাতি বড়লোক হতে চান নাকি অল্প অল্প করে টাকা কামাতে চান? যদি ধীরে ধীরে টাকা কামাতে চান, তাহলে পরের লাইন পড়ুন, নতুবা এখানে পড়া শেষ করুন। পরিশ্রম করতে হবে অনেক – আমার কাছে কোনো ম্যাজিক নাই। নিজেদের মধ্য বিশ্বাস বজায় রাখতে হবে। আপনাকে আমি কোনোভাবে ঠকাতে পারব না, কারন টাকা জমা হবে আপনার Adsense একাউন্টে। কিন্তু কোনো মাসে বেশি টাকা পেলেন আর আমার অংশ মেরে দিলেন – এই প্ল্যান থাকলে প্লিজ ওয়েবসাইটের জন্য আবেদন করবেন না।
মনে মনে ঠিক করুন কোন বিষয়ে আপনি ওয়েবসাইট বানাতে চান। কমেন্ট আকারে সেটা লিখুন - যদি দেখি আপনার নির্বাচিত বিষয়ে আমার ধারনা আছে, তবে তাদের মধ্য থেকে ১০ জনকে বাছাই করব। যেকোনো প্রশ্ন এখানে কমেন্ট আকারে লিখতে পারেন।
তবে যেকোনো প্রশ্নের জন্য আমার SEO ফোরামে যোগ দিতে পারেন, কারন সময়ের অভাবে আমি আপনাদের প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারলেও অন্য মেম্বাররা আপনার প্রশ্ন উত্তর দিয়ে দেবে।
Internet এ Easiest way তে এবং দ্রুত টাকা আয়।
| author: mahmudবিভিন্ন website তাদের website এর advertise গুলোতে ক্লিক করার জন্য তাদের সদস্যদের টাকা দিয়ে থাকে। এই টাকা pay করা হয় এবং paypal এর মাধ্যমে। বেশিরভাগ ওয়েবসাইট দু'টোই support করে থাকে এবং অনেক কম পরিমান টাকাও (1$, 2$, 20$, 50$, 200$) ট্রন্সফার করার সুবিধা থাকে alert pay এবং paypal account এ। মাত্র ২০-৩০ সেকেন্ড view এর জন্য এড গুলো ক্লিক করতে হয় এবং এর জন্য ওয়েবসাইট এর পক্ষ থেকে ১-১০ সেন্ট পর্যন্ত দেওয়া হয় প্রতি এড এ ক্লিক করার জন্য।
Alert pay এবং Paypal Account:
যেহেতু টাকা pay করা হয় alert pay এবং Paypal এর মাধ্যমে, সুতরাং এ দুটিতে account থাকা essential. আর account থাকার বড় সুবিধা হল, paypal অথবা alert pay এর মাধ্যমে rapid share বা অন্য যে কোন জায়গায় খুব সহজে account খোলা যায়।
http://www.paypal.com
paypal এ account করার সময় region হিসেবে india select করতে হবে, কারন বাংলাদেশ ওদের list এ নেই। আর শেষের দিকে credit card information skip করলেই হবে।
Add clicking websites:
নিচের website গুলোতে registration করার পর উপরে option থেকে view add/ surf add এ ক্লিক করলে add গুলো আসবে। তারপর add এ ক্লিক করলেই সময় count হওয়া শুরু হবে এবং ২০-৩০ সেকেন্ড পরে Done এবং right চিহ্ন আসবে।
registration-view/surf add-click add-count start-done and right symble will appear.
Very popular:
1.
2.
Others:
3.
4.
Website গুলোর Offers and Others:
এবং 10 cent করে দেয় প্রতিটি add এ click করার জন্য। আর অন্যগুলো 1-3 cent এর মধ্যে দেয়। বেশিরভাগেরই ধারনা এত কম cent থেকে টাকা জমতে অনেকদিন লাগবে। কিন্তু মাত্র ৫ মিনিট আপনি add এ click করলেই আপনার 1$ হয়ে যাবে।
ওদের একটা problem হচ্ছে প্রতিদিন মোট ১০ টা add e click করা যায়। কিন্তুএ এখন যত খুশি click করা যায় এবং ওরা প্রতি add এ ক্লিক এর জন্য 10 cent করে দিচ্ছে। প্রতি add এ click এর জন্য সময় লাগে 20-30 sec.
Referral system:
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হল referral system. আপনি যে কোন একটি website এ registration করে অন্যদেরকে আপনি refer করতে পারবেন।
এ ধরনের add clicking website internet এ অনেক আছে। কিন্তু maximum website 1cent/click এর বেশি দেয় না। Even 0.5, 0.25cent /click ও আছে। আমার জানামতে উপরের 2 টা website (besetbux এবং waoindia ই সবচেয়ে ভাল।
হিসেব করলে দেখা যায়, আপনি ৫ মিনিটের মধ্যেই ১ ডলার আয় করতে পারবেন এবং র website থেকে।
আমি কিছুদিন হল এ ব্যাপারে জানতে পেরেছি। somewhereinblog এ আমার লেখা publish হয়েছিল। সেখানে কয়েকজন কিছু information দিয়েছিলেন। আপনাদের এ ধরনের website address এর লিংক জানা থাকলে এখানে পোষ্ট করে দিয়েন।